সংখ্যাত্মক ও গুণাত্মক পদ্ধতি
সামাজিক গবেষণায় সংখ্যাত্মক ও গুণাত্মক পদ্ধতির বহুলব্যবহার পরিলক্ষিত হয়। গবেষণার বিষয়, ধরন, বৈশিষ্ট্য, তথ্যের পর্যাপ্ততা, গবেষকের দক্ষতা, সময়, অর্থ ইত্যাদি বিবেচনা করে পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়। মোটাদাগে সংখ্যাত্মক পদ্ধতিকে পরিসংখ্যানমূলক এবং গুণাত্মক পদ্ধতিকে বর্ণনামূলক বৈশিষ্ট্যের অধিকারী বলে মনে করা হয়। বস্তুত সামাজিক গবেষণায় তথ্য সংগ্রহের কৌশল এবং তথ্যের ধরন, প্রকৃতি ও পরিমাণ বিবেচনা করে সংখ্যাত্মক ও হক পদ্ধতি নিরুপণ করা হ সংখ্যাত্মক পদ্ধতি সংঘাত্মক বেষণায় বিভিন্ন চলকের মধ্যেকার সম্পর্ক নির্ণয়ের মাধ্যমে তত্ত্বীয় অনুসিদ্ধান্ত পরীক্ষা করা হয়। এ পদ্ধতিতে ঘটনার সাধারণীকরণ করা হয় চলকের মাধ্যমে। তথ্য বিশ্লেষণ করা হয় বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রেখে। সংখ্যাত্মক পদ্ধতিতে পরিসংখ্যানিক উপায়ে তথ্য সংগ্রহ করে তা বিশ্লেষণ করা হয়। সংখ্যাত্মক পদ্ধতির কতিপয় দৃষ্টিভঙ্গি (Approach) রয়েছে তা হলো বিভিন্ন ধরনের জরিপ (Survey), প্রশ্নমালা জরিপ বা সাক্ষাৎকার (Questionnaire Survey or Interview), সহ-সম্পর্ক (Correlation) তা বিশ্লেষণ (Trend Analysis) ইতাদি। সংখ্যাত্মক পদ্ধতির বৈশিষ্ট্যাবলি সাধ পদ্ধতির বৈ...